ফান্ড নেই, ঢাকার রাস্তায় শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক সহায়ক সেবা বন্ধ
· Prothom Alo

রাজধানীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত শিক্ষার্থীদের খণ্ডকালীন নিয়োগ বন্ধ হয়ে গেছে। ফান্ডের সংকটে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এই সেবা বন্ধ করে দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এর ফলে হঠাৎ করেই বেকার (খণ্ডকালীন কাজ) হয়ে পড়েছেন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের আট শতাধিক শিক্ষার্থী। এতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রভাব পড়ার পাশাপাশি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এই আয়ের ওপর নির্ভরশীল শিক্ষার্থীরা।
Visit milkshakeslot.lat for more information.
নিয়োগের প্রেক্ষাপট ও বর্তমান অবস্থা—
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে অন্তর্বর্তী সরকার ও ডিএমপি যৌথভাবে শিক্ষার্থীদের খণ্ডকালীন ট্রাফিক সহায়ক হিসেবে নিয়োগ দেয়। সর্বশেষ আট শতাধিক শিক্ষার্থী রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে কর্মরত ছিলেন। মূলত ট্রাফিক পুলিশের চাপ কমাতে এবং শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় হঠাৎ করেই এই কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
হঠাৎ কাজ হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেক শিক্ষার্থী। সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মুহাম্মদ মিয়ান দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে ট্রাফিক সহায়ক হিসেবে কাজ করছিলেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘এত দিন আয়ের একটি নিশ্চিত পথ ছিল। এখন হঠাৎ বেকার হয়ে গেলাম। নতুন কোনো কাজের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত দুশ্চিন্তা কাটছে না।’ অনেক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অন্তত এক মাস আগে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলে তাঁরা আয়ের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা করতে পারতেন।
ট্রাফিক সহায়কের কাজ করছেন এক শিক্ষার্থী। মতিঝিল এলাকা, ঢাকা, ৫ অক্টোবর, ২০২৫বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০৮ সহকারী পরিচালক নিয়োগ, আবেদন শুরুরাজধানীর ব্যস্ততম সড়কগুলোতে যানজট নিরসনে এসব শিক্ষার্থী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন। বিশেষ করে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও পথচারী নিয়ন্ত্রণে তাঁদের সক্রিয় দেখা যেত। তেজগাঁও এলাকার একজন দোকানদার বলেন, ‘এখানে রেলগেট থাকায় সব সময় ভিড় থাকে। ট্রাফিক সহায়কেরা দৌড়াদৌড়ি করে জটলা সরাতেন। তাঁরা না থাকায় এখন যানজট আগের চেয়ে বেড়েছে।’
ডিএমপির বক্তব্য
শিক্ষার্থীদের আবার কাজে ফেরানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘ফান্ড না থাকায় আপাতত তাঁদের কাজে নিয়োগ করা যাচ্ছে না। আমরা ফান্ডের ব্যবস্থার জন্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের কারণে আমাদের কাজে অনেক সুবিধা হতো। জনস্বার্থেই তাঁদের কাজে বহাল রাখা প্রয়োজন।’
অনলাইনে ক্লাসের কথাও ভাবা হচ্ছে, সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভায়: শিক্ষামন্ত্রীসিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনে চাকরি, আবেদন ফি ২০০