এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬। ব্যবসায় উদ্যোগ: (অধ্যায়–১)—ব্যবসায় পরিবেশের উপাদান হলো ৬টি
· Prothom Alo

ব্যবসায় উদে৵াগ: সৃজনশীল প্রশ্ন
Visit sweetbonanza.qpon for more information.
অধ্যায়–১
ব্যবসায়
শিল্প—বাণিজ্য—প্রত্যক্ষ সেবা
প্রশ্ন
ক. শিল্প কাকে বলে?
খ. ব্যবসায়িক পরিবেশের উপাদানগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?
গ. বাণিজ্যের ব্যাখ্যা দাও।
ঘ. ব্যবসায়ের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬, ঈদের ছুটিতে পরীক্ষার্থীরা যা করতে পারেউত্তর
ক. প্রকৃতির প্রদত্ত সম্পদকে রূপগত পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন উপযোগ সৃষ্টি করাকেই শিল্প বলে। যেমন: তুলা থেকে কাপড় তৈরি।
খ. যে পারিপার্শ্বিকতার মধ্য দিয়ে একটা দেশের ব্যবসা–বাণিজ্যগুলো গঠিত ও পরিচালিত হয়, তাকে ব্যবসায় পরিবেশ বলে। ব্যবসায় পরিবেশের উপাদানগুলোকে ছয় ভাগে ভাগ করা যায়। উপাদানগুলো হলো প্রাকৃতিক পরিবেশ, অর্থনৈতিক পরিবেশ, সামাজিক পরিবেশ, রাজনৈতিক পরিবেশ, আইনগত পরিবেশ, প্রযুক্তিগত পরিবেশ ইত্যাদি।
গ. যেকোনো দেশের ব্যবসায়ের উন্নয়নে বাণিজ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
শিল্পে উৎপাদিত পণ্য প্রকৃত ভোগকারী বা ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছানোর যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে বাণিজ্য বলে। বাণিজ্য হলো ব্যবসায়ের বণ্টনকারী শাখা। বাণিজ্যের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার মালিকানা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে ব্যবসায়কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে শিল্পের মাধ্যমে পণ্যদ্রব্য উৎপাদন করা হয়। কিন্তু উৎপাদনের মাধ্যমেই ব্যবসায়ের কাজ সম্পন্ন হয়ে যায় না। ওই উৎপাদিত পণ্য ভোক্তার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে হয়। আর ভোক্তাদের কাছে পণ্যদ্রব্য পৌঁছে দেওয়ার কাজে বাণিজ্য নিয়োজিত। অর্থাৎ শিল্পের উৎপাদিত পণ্য ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে বাণিজ্যের প্রয়োজন। তাই ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে বাণিজ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫: ৪০০ নম্বরে বিভাজন ও প্রশ্নপত্রের কাঠামো যেভাবেঘ. যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবসায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ব্যবসায় বলে। অর্থাৎ ব্যবসায় হতে হলে ব্যবসায়ের আইনগত বৈধতার পাশাপাশি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য থাকতে হয়। ব্যবসায়ের উৎপাদনসংক্রান্ত কাজ শিল্পের মাধ্যমে এবং বণ্টনসংক্রান্ত কাজ বাণিজ্যের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
উদ্দীপকে ব্যবসায়ের একটি চিত্র দেওয়া হয়েছে। যেখানে ব্যবসায়কে তিন ভাগে (অর্থাৎ শিল্প, বাণিজ্য ও প্রত্যক্ষ সেবা) ভাগ করা হয়েছে। এদের মধ্যে শিল্পের মাধ্যমে ব্যবসায়ের উৎপাদনসংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করা এবং বাণিজ্যের মাধ্যমে ব্যবসায়ের বণ্টনসংক্রান্ত কাজ সম্পাদন করা হয়।
তা ছাড়া প্রত্যক্ষ সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের সরাসরি সেবা প্রদান করা হয়।
ব্যবসায় যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর মাধ্যমে দেশে নতুন নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন করে দেশের প্রচুর লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। ফলে দেশের বেকার সমস্যার সমাধান হয় এবং জনগণের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া ব্যবসায়ের অন্যতম একটি শাখা বাণিজ্যের মাধ্যমে শিল্পে উৎপাদিত পণ্য ভোক্তাদের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হয়। ব্যবসায়ের
মাধ্যমে গ্রাহকেরা নিত্যনৈমিত্তিক নতুন নতুন পণ্য পেয়ে থাকেন।
মো. আলতাফ হোসেন, প্রভাষক
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ পাবলিক কলেজ, ঢাকা